অন্ধকারে
আঁতকে উঠে শিশু এখানে ঘুমের সহবাসে,
যেন যম
পুরের বর্গী আসিল তাদের স্বপ্নের দেশে,
গোলার
শব্দ শুনে ঘুমতে যায় এরা আজ
আর তারই
শব্দে জেগে ওঠা যেন এখানের নিত্য রেওয়াজ,
ঘুমের
মধ্যে মা তার শিশুকে হাতড়ায়
সেখানে
সোনা মাণিকের বদলে শুধু খেলনার পুতুলটিই পায়,
আজ ওর
জন্মদিন
আগের
জন্মদিনে এই পুতুলটাই ওকে কিনে দিয়েছিল মা,
ওর বাবা
দিয়েছিল এইতো আকাশী রঙের এই রঙিন জামা,
ভাবছে
পুতুলের মত ছেলেটা তার
সত্যিই
আজ স্মৃতির পুতুল হয়ে গেল?
মা
চাইছিল ছেলের এই জন্মদিনে আতশ বাজি ফোটাবে
কিন্তু
সত্তিকারের বাজিতে যে তার প্রাণটা যাবে
তা
কেইবা ভেবেছিল কবে।
সৃষ্টি
কর্তাকে কে মা ধন্যবাদ দিচ্ছে
চোখ
দুটো কেড়ে নেওয়ার জন্য,
তাঁকে
তো আর দেখতে হয়নি নিজের ছেলের প্রানহীন দেহ।
আর চোখ
থাকলেই কিই বা দেখতে পেত সে?
সমস্ত
নরম বেবি অয়েল মাখা দেহ তো তার উড়ে খণ্ড খণ্ড হয়েছিল।
সে জানে
সে আর দেখতে পাবে না নেতা নিয়াহুর হৃৎপিণ্ড কত শক্ত
সে জানে
হাজার বার ওকে ফাঁসিতে দিলেও এর প্রতিশোধ হবে না
তবু সে
একটি বার দেখতে চায় নেতানিয়াহুর ফাঁসিতে ঝুলানো লাশ
কথা
দিয়েছে ঐ মা
সে ঐ
একটি বারের জন্য চোখ মেলবেই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন